| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়

খাগড়াছড়ির নয়, ভিডিওটি ইন্দোনেশিয়ার

১ অক্টোবর ২০২৫


খাগড়াছড়ির নয়, ভিডিওটি ইন্দোনেশিয়ার
মিথ্যা

খাগড়াছড়ির সাম্প্রতিক ইস্যুতে ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, পাহাড়ি লোকজন সেনাবাহিনীকে ধাওয়া দিয়েছে, আর সেনাবাহিনী পালিয়ে যাচ্ছে।


তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভিডিওটি খাগড়াছড়ির নয়। এটি আসলে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম পাপুয়ার সরোং শহরের। চলতি বছরের আগস্টের শেষের দিকে সেখানে চারজন বন্দিকে সরোং থেকে মাকাসারে স্থানান্তরের সময় এলাকাবাসীর সঙ্গে উত্তেজনা তৈরি হলে ব্যাপক অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল ভিডিওটি সেই ঘটনার দৃশ্য।


ভিডিওটির কিছু স্থিরচিত্র রিভার্স ইমেজ সার্চে দেখা যায়, এটি ‘Angin Kurima’ নামক একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছিল। পোস্টের ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়— ‘​সোরং, পশ্চিম পাপুয়া পরিস্থিতি। ২৭ আগস্ট, ২০২৫। গণতন্ত্রপন্থী কর্মীদের মাকাসারে স্থানান্তরিত করার প্রতিবাদে সোরং সিটিতে ইন্দোনেশীয় জাতীয় সশস্ত্র বাহিনী (TNI) এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে পারস্পরিক সংঘাত দেখা গেছে।’ (অনূদিত)


একই ভিডিও একাধিক ইউটিউব চ্যানেল থেকেও প্রচারিত হয়েছে, যেখানে এটিকে ইন্দোনেশিয়ার সরোং শহরের ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।


এ বিষয়ে ইন্দোনেশিয়ার সংবাদমাধ্যম Harian Terbit তাদের ওয়েবসাইটে “Kota Sorong Memanas, Massa Tolak Pemindahan 4 Tahanan Kasus Makar” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের ২৭ আগস্ট সোরং থেকে মাকাসারে চারজন বন্দিকে স্থানান্তরের প্রতিবাদে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং পরিস্থিতি অস্থির হয়ে ওঠে।


অতএব, খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি লোকজন সেনাবাহিনীকে ধাওয়া দিয়েছে—এমন দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওটি আসলে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম পাপুয়ার সরোং শহরের ঘটনার।


তথ্যসূত্র:

Facebook , harianterbit.com , bangtoyib tutorial , Melkior Sada



Topics:



অর্থ পাচার ও চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভীর নামে অপপ্রচার
মিথ্যা
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অর্থ পাচার ও চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভীর নামে অপপ্রচার


সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার নামে বানোয়াট মন্তব্য প্রচার
মিথ্যা
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার নামে বানোয়াট মন্তব্য প্রচার

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর ফেনীতে বাইকে আগুন দেওয়ার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২১ সালের
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর ফেনীতে বাইকে আগুন দেওয়ার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২১ সালের


পারিবারিক কলহের পুরোনো ঘটনাকে অপহরণ ও ধর্ষণ দাবি করে অপপ্রচার
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পারিবারিক কলহের পুরোনো ঘটনাকে অপহরণ ও ধর্ষণ দাবি করে অপপ্রচার


টাকা না দেয়ায় হাসপাতাল থেকে গর্ভবতী নারীকে ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি নোয়াখালীর নয়, নেপালের
মিথ্যা
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাকা না দেয়ায় হাসপাতাল থেকে গর্ভবতী নারীকে ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি নোয়াখালীর নয়, নেপালের

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



খাগড়াছড়ির নয়, ভিডিওটি ইন্দোনেশিয়ার

ফ্যাক্ট চেক

খাগড়াছড়ির নয়, ভিডিওটি ইন্দোনেশিয়ার

১ অক্টোবর ২০২৫

খাগড়াছড়ির নয়, ভিডিওটি ইন্দোনেশিয়ার

খাগড়াছড়ির সাম্প্রতিক ইস্যুতে ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, পাহাড়ি লোকজন সেনাবাহিনীকে ধাওয়া দিয়েছে, আর সেনাবাহিনী পালিয়ে যাচ্ছে।


তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভিডিওটি খাগড়াছড়ির নয়। এটি আসলে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম পাপুয়ার সরোং শহরের। চলতি বছরের আগস্টের শেষের দিকে সেখানে চারজন বন্দিকে সরোং থেকে মাকাসারে স্থানান্তরের সময় এলাকাবাসীর সঙ্গে উত্তেজনা তৈরি হলে ব্যাপক অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল ভিডিওটি সেই ঘটনার দৃশ্য।


ভিডিওটির কিছু স্থিরচিত্র রিভার্স ইমেজ সার্চে দেখা যায়, এটি ‘Angin Kurima’ নামক একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছিল। পোস্টের ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়— ‘​সোরং, পশ্চিম পাপুয়া পরিস্থিতি। ২৭ আগস্ট, ২০২৫। গণতন্ত্রপন্থী কর্মীদের মাকাসারে স্থানান্তরিত করার প্রতিবাদে সোরং সিটিতে ইন্দোনেশীয় জাতীয় সশস্ত্র বাহিনী (TNI) এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে পারস্পরিক সংঘাত দেখা গেছে।’ (অনূদিত)


একই ভিডিও একাধিক ইউটিউব চ্যানেল থেকেও প্রচারিত হয়েছে, যেখানে এটিকে ইন্দোনেশিয়ার সরোং শহরের ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।


এ বিষয়ে ইন্দোনেশিয়ার সংবাদমাধ্যম Harian Terbit তাদের ওয়েবসাইটে “Kota Sorong Memanas, Massa Tolak Pemindahan 4 Tahanan Kasus Makar” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের ২৭ আগস্ট সোরং থেকে মাকাসারে চারজন বন্দিকে স্থানান্তরের প্রতিবাদে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং পরিস্থিতি অস্থির হয়ে ওঠে।


অতএব, খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি লোকজন সেনাবাহিনীকে ধাওয়া দিয়েছে—এমন দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওটি আসলে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম পাপুয়ার সরোং শহরের ঘটনার।


তথ্যসূত্র:

Facebook , harianterbit.com , bangtoyib tutorial , Melkior Sada