| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়
নারী হেনস্তার ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
২৭ অক্টোবর ২০২৫
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দাবি করা হচ্ছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের শাসনামলে দেশের রাস্তায় একজন নারীকে এক ব্যক্তি নির্যাতন করছেন।
তবে ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়; এটি ভারতের কর্ণাটকে সংঘটিত এক ঘটনার দৃশ্য।
ভিডিওটির কিছু স্থিরচিত্র রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এনডিটিভি’র ওয়েবসাইটে গত ২৪ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। সেই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এই ঘটনাটি ভারতের কর্ণাটক প্রদেশের। কর্ণাটকের বিজয়পুরা জেলার সিন্দেগি শহরের একটি ব্যস্ত রাস্তায় ইয়ামানাপ্পা মাদার নামে এক ব্যক্তি তাঁর স্ত্রী অনুসূয়া মাদারের ওপর আক্রমণ করে।
রিপাবলিক ওয়ার্ল্ডসহ ভারতের আরও একাধিক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন থেকেও এবিষয়ে একই তথ্য জানা যায়।
অর্থাৎ, ভারতের কর্ণাটকে এক ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীর ওপর আক্রমণের ভিডিওকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের শাসনামলে বাংলাদেশের ঘটনা বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে; যা মিথ্যা।
তথ্যসূত্র
এনডিটিভি - সংবাদ
রিপাবলিক ওয়ার্ল্ড - সংবাদ
Topics:
অর্থ পাচার ও চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভীর নামে অপপ্রচার
সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার নামে বানোয়াট মন্তব্য প্রচার
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর ফেনীতে বাইকে আগুন দেওয়ার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২১ সালের
পারিবারিক কলহের পুরোনো ঘটনাকে অপহরণ ও ধর্ষণ দাবি করে অপপ্রচার
টাকা না দেয়ায় হাসপাতাল থেকে গর্ভবতী নারীকে ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি নোয়াখালীর নয়, নেপালের
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
ফ্যাক্ট চেক
নারী হেনস্তার ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
২৭ অক্টোবর ২০২৫
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দাবি করা হচ্ছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের শাসনামলে দেশের রাস্তায় একজন নারীকে এক ব্যক্তি নির্যাতন করছেন।
তবে ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়; এটি ভারতের কর্ণাটকে সংঘটিত এক ঘটনার দৃশ্য।
ভিডিওটির কিছু স্থিরচিত্র রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এনডিটিভি’র ওয়েবসাইটে গত ২৪ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদনে একই দৃশ্য পাওয়া যায়। সেই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এই ঘটনাটি ভারতের কর্ণাটক প্রদেশের। কর্ণাটকের বিজয়পুরা জেলার সিন্দেগি শহরের একটি ব্যস্ত রাস্তায় ইয়ামানাপ্পা মাদার নামে এক ব্যক্তি তাঁর স্ত্রী অনুসূয়া মাদারের ওপর আক্রমণ করে।
রিপাবলিক ওয়ার্ল্ডসহ ভারতের আরও একাধিক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন থেকেও এবিষয়ে একই তথ্য জানা যায়।
অর্থাৎ, ভারতের কর্ণাটকে এক ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীর ওপর আক্রমণের ভিডিওকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের শাসনামলে বাংলাদেশের ঘটনা বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে; যা মিথ্যা।
তথ্যসূত্র
এনডিটিভি - সংবাদ
রিপাবলিক ওয়ার্ল্ড - সংবাদ