| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়

সম্প্রতি গোপালগঞ্জে পুলিশের হামলা দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি পুরোনো ও ভিন্ন ঘটনার

৩ আগস্ট ২০২৫


সম্প্রতি গোপালগঞ্জে পুলিশের হামলা দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি পুরোনো ও ভিন্ন ঘটনার
মিথ্যা

গোপালগঞ্জে গত ১৬ জুলাই জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের জেরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে গোপালগঞ্জ জেলায় কারফিউ ও ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। পরবর্তীতে কারফিউ শিথিল করে গত ২০ জুলাই ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করা হয়।

এরই প্রেক্ষিতে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশে পুলিশ গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে দাবিতে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়ানো হয়েছে।

বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, এটি গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের কর্মীদের ওপর পুলিশের হামলার সাম্প্রতিক কোনো ভিডিও নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন অর্থাৎ ২০২৪ সালের ২৬ জুলাই থেকে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার দৃশ্য দাবিতে প্রচার হয়ে আসছে। অর্থাৎ, ভিডিওটি যে পুরোনো তা একাধিক সূত্রে নিশ্চিত হয়েছে বাংলাফ্যাক্ট।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির কিছু কি-ফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে Sayed Rouf নামে একটি এক্স অ্যাকাউন্টে ভিডিওটি পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের ২৬ জুলাই প্রকাশিত ভিডিওটির ক্যাপশন থেকে জানা যায়, ঢাকায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় পুলিশ গুলি ছুঁড়েছিল এবং সেসময় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে আটক করেছিল।

পাশাপাশি, একই তারিখে একাধিক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও এক্স অ্যাকাউন্টে একই তথ্যে ভিডিওটি প্রকাশিত হয়েছে।

অর্থাৎ, ভিন্ন ঘটনার পুরোনো ভিডিওকে গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের কর্মীদের ওপর পুলিশের হামলার দৃশ্য দাবিতে ছড়ানো হচ্ছে; যা মিথ্যা।



Topics:



অর্থ পাচার ও চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভীর নামে অপপ্রচার
মিথ্যা
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অর্থ পাচার ও চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভীর নামে অপপ্রচার


সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার নামে বানোয়াট মন্তব্য প্রচার
মিথ্যা
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার নামে বানোয়াট মন্তব্য প্রচার

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর ফেনীতে বাইকে আগুন দেওয়ার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২১ সালের
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর ফেনীতে বাইকে আগুন দেওয়ার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২১ সালের


পারিবারিক কলহের পুরোনো ঘটনাকে অপহরণ ও ধর্ষণ দাবি করে অপপ্রচার
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পারিবারিক কলহের পুরোনো ঘটনাকে অপহরণ ও ধর্ষণ দাবি করে অপপ্রচার


টাকা না দেয়ায় হাসপাতাল থেকে গর্ভবতী নারীকে ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি নোয়াখালীর নয়, নেপালের
মিথ্যা
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাকা না দেয়ায় হাসপাতাল থেকে গর্ভবতী নারীকে ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি নোয়াখালীর নয়, নেপালের

আপনার মতামত দিন

এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?

এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!

0%

0%

আপনার মতামত শেয়ার করুন:

| মন্তব্য সমূহ:

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!



সম্প্রতি গোপালগঞ্জে পুলিশের হামলা দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি পুরোনো ও ভিন্ন ঘটনার

ফ্যাক্ট চেক

সম্প্রতি গোপালগঞ্জে পুলিশের হামলা দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি পুরোনো ও ভিন্ন ঘটনার

৩ আগস্ট ২০২৫

সম্প্রতি গোপালগঞ্জে পুলিশের হামলা দাবি করে ছড়ানো ভিডিওটি পুরোনো ও ভিন্ন ঘটনার

গোপালগঞ্জে গত ১৬ জুলাই জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের জেরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে গোপালগঞ্জ জেলায় কারফিউ ও ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। পরবর্তীতে কারফিউ শিথিল করে গত ২০ জুলাই ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করা হয়।

এরই প্রেক্ষিতে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশে পুলিশ গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে দাবিতে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়ানো হয়েছে।

বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, এটি গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের কর্মীদের ওপর পুলিশের হামলার সাম্প্রতিক কোনো ভিডিও নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন অর্থাৎ ২০২৪ সালের ২৬ জুলাই থেকে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার দৃশ্য দাবিতে প্রচার হয়ে আসছে। অর্থাৎ, ভিডিওটি যে পুরোনো তা একাধিক সূত্রে নিশ্চিত হয়েছে বাংলাফ্যাক্ট।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির কিছু কি-ফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে Sayed Rouf নামে একটি এক্স অ্যাকাউন্টে ভিডিওটি পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের ২৬ জুলাই প্রকাশিত ভিডিওটির ক্যাপশন থেকে জানা যায়, ঢাকায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় পুলিশ গুলি ছুঁড়েছিল এবং সেসময় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে আটক করেছিল।

পাশাপাশি, একই তারিখে একাধিক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও এক্স অ্যাকাউন্টে একই তথ্যে ভিডিওটি প্রকাশিত হয়েছে।

অর্থাৎ, ভিন্ন ঘটনার পুরোনো ভিডিওকে গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের কর্মীদের ওপর পুলিশের হামলার দৃশ্য দাবিতে ছড়ানো হচ্ছে; যা মিথ্যা।