| ফ্যাক্ট চেক | রাজনীতি
জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা মাহফুজ ও আসিফের উপস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমে ভুয়া তথ্য প্রচার
১৮ অক্টোবর ২০২৫
অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এবং স্থানীয় সরকার ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া গতকাল ১৭ অক্টোবরের ঐতিহাসিক জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না-এমন দাবি করে কয়েকটি গণমাধ্যম (দৈনিক দেশ রূপান্তর, দৈনিক যুগান্তর, সময় টেলিভিশন, চ্যানেল আই, ঠিকানা, রূপালী বংলাদেশ) প্রতিষ্ঠান সংবাদ প্রকাশ করেছে।
তবে যাচাই করে দেখা গেছে, এই দাবি সঠিক নয়। গতকাল জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।
এই বিষয়ে অনুসন্ধান করলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দৈনিক কালের কণ্ঠের ফেসবুক পেজে গতকাল শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) প্রকাশিত একটি ভিডিও প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গতকাল জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মাহফুজ আলম উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি, ভিডিওতেও মাহফুজ আলমসহ আসিফ মাহমুদের উপস্থিতি দেখা গিয়েছে।
দৈনিক কালের কণ্ঠের ইউটিউব চ্যানেলেও গতকাল প্রকাশিত একই প্রতিবেদন পাওয়া গিয়েছে।
তাছাড়া, Akm Obaidul Haque নাকে একটি ব্যক্তির ফেসবুক অ্যাকাউন্টে গতকাল শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) প্রকাশিত একটি পোস্ট পাওয়া যায়। পোস্টে সংযুক্ত ছবিতে মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদকে দেখা গিয়েছে। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘দুই উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ। নিজে থেকেই আমাদের পাশে বসলেন ঐতিহাসিক জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদ ভবনে।’
অর্থাৎ, গতকাল ১৭ অক্টোবরের ঐতিহাসিক জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এবং স্থানীয় সরকার ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন না-এমন দাবি করে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে প্রকাশিত তথ্যটি মিথ্যা।
তথ্যসূত্র
দৈনিক কালের কণ্ঠ - প্রতিবেদন
দৈনিক কালের কণ্ঠ - প্রতিবেদন
Akm Obaidul Haque - ফেসবুক পোস্ট
Topics:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নামে ভুয়া স্ক্রিনশট প্রচার
এআই সৃষ্ট ভিডিও প্রচার করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতার কক্ষ থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ভুয়া দাবি
চ্যানেল ২৪ এর ফটোকার্ড বিকৃত করে তথ্য উপদেষ্টার নামে অপপ্রচার
বিএনপি নেতার সহযোগী গুলিবিদ্ধ হওয়ার দৃশ্যকে আ লীগ নেতা হত্যা বলে প্রচার
শিক্ষককে মারধরের ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়, ভারতের
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
আরটিভির ফটোকার্ড নকল করে ডিএমপি কমিশনারের নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
পলক ও আইভীর জামিন পাওয়ার তথ্যটি মিথ্যা, যমুনা টিভির নামে ছড়ানো ফটোকার্ডটিও ভুয়া
ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুলিশ-শিবিরের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া বলে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২৪ সালের ভিন্ন ঘটনার
সাদ্দামের সাথে আবিদের ছবিটি এআই দিয়ে সম্পাদিত
ফ্যাক্ট চেক
জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা মাহফুজ ও আসিফের উপস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমে ভুয়া তথ্য প্রচার
১৮ অক্টোবর ২০২৫
অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এবং স্থানীয় সরকার ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া গতকাল ১৭ অক্টোবরের ঐতিহাসিক জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না-এমন দাবি করে কয়েকটি গণমাধ্যম (দৈনিক দেশ রূপান্তর, দৈনিক যুগান্তর, সময় টেলিভিশন, চ্যানেল আই, ঠিকানা, রূপালী বংলাদেশ) প্রতিষ্ঠান সংবাদ প্রকাশ করেছে।
তবে যাচাই করে দেখা গেছে, এই দাবি সঠিক নয়। গতকাল জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।
এই বিষয়ে অনুসন্ধান করলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দৈনিক কালের কণ্ঠের ফেসবুক পেজে গতকাল শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) প্রকাশিত একটি ভিডিও প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গতকাল জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মাহফুজ আলম উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি, ভিডিওতেও মাহফুজ আলমসহ আসিফ মাহমুদের উপস্থিতি দেখা গিয়েছে।
দৈনিক কালের কণ্ঠের ইউটিউব চ্যানেলেও গতকাল প্রকাশিত একই প্রতিবেদন পাওয়া গিয়েছে।
তাছাড়া, Akm Obaidul Haque নাকে একটি ব্যক্তির ফেসবুক অ্যাকাউন্টে গতকাল শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) প্রকাশিত একটি পোস্ট পাওয়া যায়। পোস্টে সংযুক্ত ছবিতে মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদকে দেখা গিয়েছে। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘দুই উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ। নিজে থেকেই আমাদের পাশে বসলেন ঐতিহাসিক জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদ ভবনে।’
অর্থাৎ, গতকাল ১৭ অক্টোবরের ঐতিহাসিক জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এবং স্থানীয় সরকার ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন না-এমন দাবি করে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে প্রকাশিত তথ্যটি মিথ্যা।
তথ্যসূত্র
দৈনিক কালের কণ্ঠ - প্রতিবেদন
দৈনিক কালের কণ্ঠ - প্রতিবেদন
Akm Obaidul Haque - ফেসবুক পোস্ট