| ফ্যাক্ট চেক | জাতীয়
২০২৫ সালের ঢাকা বোর্ডের প্রশ্ন এআই দিয়ে এডিট করে আইসিটি প্রশ্ন ফাঁসের ভুয়া দাবি সামাজিক মাধ্যমে
৩০ এপ্রিল ২০২৬
আজ (৩০ এপ্রিল) এসএসসি-র আইসিটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এই পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে গত ২৮ এপ্রিল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের একটি দাবি ছড়িয়ে পড়ে। এরই প্রেক্ষিতে ২৯ এপ্রিল ওই দাবির সপক্ষে একটি ছবিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, এসএসসির আইসিটি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের দাবিতে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি মূলত এআই দিয়ে তৈরি। ২০২৫ সালের এসএসসির ঢাকা বোর্ডের প্রশ্নের ছবিকে এআই-এর মাধ্যমে সম্পাদনা করে এটি তৈরি করা হয়েছে।
এই বিষয়ে অনুসন্ধানের শুরুতে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ছবিটি পর্যবেক্ষণ করে বেশ কিছু ভুল বানান লক্ষ্য করা যায়। যেমন- ‘অভীক্ষার’ শব্দটিকে লেখা হয়েছে ‘অরীক্ষার’, ‘পয়েন্ট’কে লেখা হয়েছে ‘মতেন্ট’, ‘যোগ’কে লেখা হয়েছে ‘যোন’ এবং ‘কমান্ড’কে লেখা হয়েছে ‘কয়ান্ড’ ইত্যাদি। এছাড়াও, প্রশ্নপত্রের ফন্ট, স্পেসিং ও অ্যালাইনমেন্টে অসামঞ্জস্য লক্ষ করা যায়।
এসএসসির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষায় এ ধরনের বানান ভুল এবং প্রশ্নের কাঠামোতে অসামঞ্জস্য থাকা অস্বাভাবিক।
সেই সন্দেহ থেকেই পরবর্তী অনুসন্ধানে ২০২৫ সালের ঢাকা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার মূল প্রশ্নপত্রের সাথে আলোচিত প্রশ্নটি মিলিয়ে দেখা হয় এবং তাতে বেশ সাদৃশ্য পাওয়া যায়। তবে মূল প্রশ্নপত্রে বর্তমানে প্রচারিত এই ভুয়া প্রশ্নটির মতো কোনো বানান ভুল ছিল না।
সাধারণত কোনো ছবি এআই দিয়ে সম্পাদনা করলে এ ধরনের বানান ভুল ও অসামঞ্জস্যতা দেখা যায়। তাছাড়া, এসএসসির আইসিটি প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে এমন কোনো তথ্য মূল ধারার গণমাধ্যমে পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, এসএসসি-র আইসিটি প্রশ্ন ফাঁসের দাবিতে ২০২৫ সালের ঢাকা বোর্ডের একটি মূল প্রশ্নপত্রকে এআই দিয়ে সম্পাদনা করে এই ভুয়া প্রশ্নটি তৈরি করা হয়েছে।
Topics:
অর্থ পাচার ও চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভীর নামে অপপ্রচার
সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার নামে বানোয়াট মন্তব্য প্রচার
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর ফেনীতে বাইকে আগুন দেওয়ার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২১ সালের
পারিবারিক কলহের পুরোনো ঘটনাকে অপহরণ ও ধর্ষণ দাবি করে অপপ্রচার
টাকা না দেয়ায় হাসপাতাল থেকে গর্ভবতী নারীকে ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি নোয়াখালীর নয়, নেপালের
আপনার মতামত দিন
এই পোস্টটি কি আপনার জন্য সহায়ক ছিল?
এখনো কেউ ভোট দেয়নি। আপনিই প্রথম হোন!
0%
0%
আপনার মতামত শেয়ার করুন:
| মন্তব্য সমূহ:
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!
| আরও পড়ুন
নাগরিক টিভির ফটোকার্ড বিকৃত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
যুগান্তরের ফটোকার্ড বিকৃত করে বাংলাদেশকে জাড়িয়ে ট্রাম্পের নামে ভুয়া তথ্য প্রচার
নারী নির্যাতন
লেনদেন নিয়ে মারধর, আ লীগ করা নিয়ে নয়
১০ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় দোকান ভাঙচুর দাবি করে ছড়ানো ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি
ফ্যাক্ট চেক
২০২৫ সালের ঢাকা বোর্ডের প্রশ্ন এআই দিয়ে এডিট করে আইসিটি প্রশ্ন ফাঁসের ভুয়া দাবি সামাজিক মাধ্যমে
৩০ এপ্রিল ২০২৬
আজ (৩০ এপ্রিল) এসএসসি-র আইসিটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এই পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে গত ২৮ এপ্রিল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের একটি দাবি ছড়িয়ে পড়ে। এরই প্রেক্ষিতে ২৯ এপ্রিল ওই দাবির সপক্ষে একটি ছবিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, এসএসসির আইসিটি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের দাবিতে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি মূলত এআই দিয়ে তৈরি। ২০২৫ সালের এসএসসির ঢাকা বোর্ডের প্রশ্নের ছবিকে এআই-এর মাধ্যমে সম্পাদনা করে এটি তৈরি করা হয়েছে।
এই বিষয়ে অনুসন্ধানের শুরুতে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ছবিটি পর্যবেক্ষণ করে বেশ কিছু ভুল বানান লক্ষ্য করা যায়। যেমন- ‘অভীক্ষার’ শব্দটিকে লেখা হয়েছে ‘অরীক্ষার’, ‘পয়েন্ট’কে লেখা হয়েছে ‘মতেন্ট’, ‘যোগ’কে লেখা হয়েছে ‘যোন’ এবং ‘কমান্ড’কে লেখা হয়েছে ‘কয়ান্ড’ ইত্যাদি। এছাড়াও, প্রশ্নপত্রের ফন্ট, স্পেসিং ও অ্যালাইনমেন্টে অসামঞ্জস্য লক্ষ করা যায়।
এসএসসির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষায় এ ধরনের বানান ভুল এবং প্রশ্নের কাঠামোতে অসামঞ্জস্য থাকা অস্বাভাবিক।
সেই সন্দেহ থেকেই পরবর্তী অনুসন্ধানে ২০২৫ সালের ঢাকা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার মূল প্রশ্নপত্রের সাথে আলোচিত প্রশ্নটি মিলিয়ে দেখা হয় এবং তাতে বেশ সাদৃশ্য পাওয়া যায়। তবে মূল প্রশ্নপত্রে বর্তমানে প্রচারিত এই ভুয়া প্রশ্নটির মতো কোনো বানান ভুল ছিল না।
সাধারণত কোনো ছবি এআই দিয়ে সম্পাদনা করলে এ ধরনের বানান ভুল ও অসামঞ্জস্যতা দেখা যায়। তাছাড়া, এসএসসির আইসিটি প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে এমন কোনো তথ্য মূল ধারার গণমাধ্যমে পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, এসএসসি-র আইসিটি প্রশ্ন ফাঁসের দাবিতে ২০২৫ সালের ঢাকা বোর্ডের একটি মূল প্রশ্নপত্রকে এআই দিয়ে সম্পাদনা করে এই ভুয়া প্রশ্নটি তৈরি করা হয়েছে।